পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটিকে স্বাগত জানিয়েছেন পার্বত্যবাসী
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
এলেক্স বড়ূয়া :
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সব জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা, ন্যায্য স্বীকৃতি, দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা এবং বৈষম্যহীন ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার গঠিত তিনটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটিকে স্বাগত ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দারা।
গেজেট আকারে প্রকাশিত এসব কমিটি পার্বত্য চট্টগ্রামের সব জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মানুষের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা, ন্যায্য স্বীকৃতি প্রদান, দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা এবং বৈষম্যহীন ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
পার্বত্যবাসীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার ৫৫ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ ধরনের উদ্যোগ অতীতে কোনো সরকার গ্রহণ করেনি। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ কমিটি গঠন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত সবাইকে এ উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।
তারা আশা প্রকাশ করেন, নবগঠিত কমিটিগুলো দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত ও নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত সব সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায্য স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পার্বত্যবাসীর পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা অক্ষুণ্ন রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে নবগঠিত তিন কমিটির কার্যক্রম ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন।
এ সময় কমিটিগুলোর সদস্যদের সুস্থতা ও সফলতার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করা হয়। তারা যেন সাহস, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেন, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।
গেজেট অনুযায়ী সরকার গঠিত তিনটি কমিটি হলো—পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক পরামর্শক কমিটি।
পার্বত্যবাসীর প্রত্যাশা, এসব কমিটির কার্যকর উদ্যোগ ও সমন্বিত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ আরও সুগম হবে এবং সব জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্প্রীতি ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।
আপনার মতামত লিখুন :