আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
নিউজ বাংলা ডেস্ক :
আগামী সপ্তাহের শেষার্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যেতে পারেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। সম্ভাব্য এ সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও নয়াদিল্লিতে নীরবে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে সফরের দিনক্ষণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ঢাকা ও নয়াদিল্লির কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সম্ভাব্য সফরের তারিখ ২২ থেকে ২৩ আগস্ট। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সফরের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই হবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর। কূটনৈতিক মহলের মতে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণেও এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সফরটি দুই দিনের দ্বিপক্ষীয় সফর হিসেবে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই ভারত সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।
এদিকে আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে তিনি ওই সম্মেলনে অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
ঢাকার সরকারি সূত্রগুলো বলছে, সম্ভাব্য ভারত সফর সফল করতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকও সফর প্রস্তুতির অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত ও জাপান সফরের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচি এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতির ভিত্তিতেই সফরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :