স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও ৩০টি গ্রামের মানুষের ভাগ্য বদলায়নি!


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ০৭ জানুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

মহসিন খান, মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

শোলধারা থেকে বুতনী ব্রিজ থেকে যায় শুধুই প্রতিশ্রুতি, শুধু একটি সেতুর জন্য বছরের ৬ মাস কাঠের তৈরি সেতু আর বর্ষার ৬ মাস পারাপার হতে হয় নৌকায়। ঘিওর এবং শিবালয় উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়ন, শিমুলিয়া ইউনিয়ন,নালী ইউনিয়নের অন্তর্গত হওয়ায় হাজার,হাজার মানুষকে এই পথ দিয়ে চলাচল করতে হয় প্রতিদিন। 

নদী পার হয়ে এদিকে কেল্লাই হাই স্কুল, বেজপাড়া হাইস্কুল সহ কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের বিরাট অসুবিধা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাঁশের তৈরি সাঁকো ভেঙ্গে পড়ে দূর্ঘটনার শিকার হয়েছেন ছাএ-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষ। স্থানীয় মুরুব্বিদের ভাষ্যমতে বৃটিশ আমল থেকে এই ইছামতী নদীর উপর বাঁশ ও কাঠের সাঁকো তৈরি হচ্ছে।

এই সাঁকো দিয়ে বানিয়াজুরী ইউনিয়নের অন্ততঃ নয়টি গ্ৰাম শোলধারা, জোকা, বানিয়াজুরী, কেল্লাই, কাকজোর, তারাইল, নয়াচর, গাংডুবি,ঠাটাংগা এবং শিমুলিয়া ইউনিয়নের অন্ততঃ পনেরো গ্ৰামের বুতনী, বিবিরাস্তী, চোরঘোনা, শিমুলিয়া,তারাইল, ঢাকাইজোড়া, বেজপাড়া, পাড়াগ্ৰাম, দোলাকান্দা, কাচিধারা, ছোট বুতনী, খাইলসা, ফেচুয়াধারা, কোঠাধারা, বিলবরই সহ প্রায় ৩০ গ্ৰামের ৪০-৫০ হাজার মানুষের চলাচলের সহজ পথ এটি। কথা এই ঘাটের রাজ কুমার দাস ও কৃষ্ণ কুমার দাসের সাথে যারা প্রতিবছর বানিয়াজুরী ইউনিয়ন বোর্ড থেকে ৮-১০ হাজার টাকা সরকারি ডাকের মাধ্যমে এনে তারা আরো ১ লাখ ২০ হাজার কম বেশি টাকা খরচ করে বাঁশ ও কাঠের পাটাতন তৈরি করে সাঁকো তৈরি করেন। 

সাঁকো পারাপারের জন্য কোন টাকা-পয়সা নেন না। কিন্তু আশেপাশে গ্ৰাম থেকে ধান,চাল,গম, ভূট্টা, পেঁয়াজসহ সিজেনাল শষ্য উত্তোলন করেন। এই সাঁকো দিয়ে সাইকেল,ভ্যান, মোটরসাইকেল, রিক্সা নিয়মিত পারাপার হয়ে থাকে। এবছর ভ্যান গাড়ি মালামাল সহ সাঁকো ভেঙ্গে নীচে পড়ে গিয়ে মাথায় মারাত্মকভাবে আহত হন ভ্যান চালক।

এলাকাবাসীর ক্ষোভ আর কতো প্রাণহানি ঘটলে স্থানীয় প্রতিনিধিদের টনক নড়বে। কৃষকদের কৃষি পণ্য বিক্রির জন্য বানিয়াজুরী নিয়ে যেতে খুবই সময় লাগবার কথা সেখানে কয়েক ঘণ্টা লেগে যায় এবং কৃষকদের সার, কীটনাশক আনা নেয়া অনেক কষ্টকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসীর জোরালো দাবি এই নদীতে একটি সেতু নির্মাণ।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ