হুতিদের হামলার দাবির পর হরমুজ ও বাব আল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল কমেছে


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ০৬ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

হুতিদের সৌদি তেল ট্যাংকারে হামলার দাবির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ দুই নৌপথ- হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি- দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সামুদ্রিক শিপিং তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বুধবার (৫ আগস্ট) আগের দিনের তুলনায় উভয় প্রণালিতেই জাহাজের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

সামুদ্রিক তথ্য বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র দুটি জাহাজ চলাচল করেছে। আগের দিন এ সংখ্যা ছিল আটটি। অথচ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরুর আগে প্রতিদিন গড়ে ১৩০ থেকে ১৪০টি জাহাজ এ পথ ব্যবহার করত। পরবর্তীতে ইরান প্রণালিটি বন্ধ ঘোষণা করলে এ রুটে বাণিজ্যিক চলাচল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়।

অন্যদিকে, বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে বুধবার মাত্র একটি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে। বাহামাসের পতাকাবাহী ওই ড্রাই বাল্ক ক্যারিয়ারটি ছিল দিনের একমাত্র জাহাজ। এর আগের দিন এ প্রণালি দিয়ে ২০টি জাহাজ পার হয়েছিল।

এর আগে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠী দাবি করে, তারা লোহিত সাগরের বন্দরনগরী ইয়ানবুর উপকূলে একটি সৌদি তেল ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি এডেন উপসাগরে আরেকটি সৌদি তেল ট্যাংকারেও হামলার দাবি জানায় তারা। তবে এসব হামলার বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত মাস থেকে হুতিরা লোহিত সাগরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ কার্যকর করার দাবি করে আসছে। তাদের ভাষ্য, ইয়েমেনের ওপর সৌদি নেতৃত্বাধীন অবরোধের জবাব হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদিও সৌদি আরব এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব বিশ্বের জ্বালানি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এসব অঞ্চলে উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, পণ্য পরিবহন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ