রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ মঙ্গলবার


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

নিউজ বাংলা ডেস্ক :

রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত।

সোমবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন শুনানি শেষে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার (২ জুন) দিন ধার্য করা হয়।

শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুল রহমান দুলু আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র পাঠ করে শোনান। এর আগে সকাল পৌনে ৮টার দিকে প্রিজনভ্যানে করে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে সোহেল রানা কৌশলে তাকে ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। পরে স্কুলে যাওয়ার সময় হয়ে গেলে মেয়েকে খুঁজতে বের হন তার মা। এক পর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তিনি। সাড়া না পেয়ে আশপাশের বাসিন্দাদের সহায়তায় ঘরের ভেতরে ঢুকে সোহেল ও স্বপ্না আক্তারের শোবার ঘরে রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ দেখতে পান। পাশেই একটি বালতিতে পাওয়া যায় শিশুটির কাটা মাথা। ওই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্না আক্তার।

এই নৃশংস ঘটনার পরদিনই শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে হত্যা ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের শুরুতে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে আটক করে পুলিশ।

পরদিন ২০ মে সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই দিনে স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া নতুন ধাপে প্রবেশ করল। এখন সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত আদালতের সামনে উপস্থাপন করা হবে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ