যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে বাধ্য সরকার : জ্বালানিমন্ত্রী


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

অনলাইন ডেস্ক :

যুদ্ধকালীন বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে সরকার বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশই তাদের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রেও তেলের দাম ৫ ডলার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জ্বালানিমন্ত্রী জানান, যুদ্ধ শুরুর পর বাংলাদেশ যে পরিমাণ তেল আমদানি করে মজুত করেছে, সেই কেনা দামের তুলনায় তুলনামূলক কম পর্যায়েই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। তার ভাষায়, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়ায়নি, বরং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা এটা করতে বাধ্য হয়েছি। কারণ তেল কিনতে হয় বৈদেশিক মুদ্রায়। বৈদেশিক মুদ্রার চাপ যাতে কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে রাখা যায়, সে জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

ভর্তুকি প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে মন্ত্রী জানান, সরকার এখনও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিচ্ছে। তবে সুনির্দিষ্ট পরিমাণ জানতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে বিস্তারিত তথ্য নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, যুদ্ধ মানেই বিরূপ প্রভাব। এই যুদ্ধ শুধু বাংলাদেশের ওপর নয়, সারাবিশ্বের অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলেছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও সেই প্রভাব এড়ানো সম্ভব হয়নি।

প্রসঙ্গত, রোববার (১৯ এপ্রিল) বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা এবং ডিজেল ১১৫ টাকায় বিক্রি হবে। এছাড়া কেরোসিনের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ১৩০ টাকা।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ