এলএনজি জাহাজ পৌঁছেছে মহেশখালীতে, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ২২ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

নিজস্ব প্রতিবেদক :

অবশেষে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে স্বস্তির আভাস মিলেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে নতুন একটি এলএনজিবাহী জাহাজ পৌঁছানোর পর মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে ‘ফ্লেক্স কারেজেস’ নামের এলএনজিবাহী জাহাজটি মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালে ভেড়ে। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে কেনা এলএনজি নিয়ে জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যামেরন বন্দর থেকে বাংলাদেশে এসেছে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নতুন আসা এলএনজি টার্মিনালের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ আরও বাড়বে। এতে সাময়িকভাবে দেশের এলএনজি সংকট অনেকটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তবে নতুন জাহাজ থেকে সরবরাহ শুরু হওয়ার আগেই শনিবার দুপুর থেকে এক্সিলারেটের টার্মিনাল দিয়ে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। টার্মিনালে আগে মজুত থাকা এলএনজি ব্যবহার করে এই সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। ফলে দুপুর থেকেই জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি দেখা যায়।

এদিকে মহেশখালীর পাশের সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকেও প্রায় ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে মহেশখালীর দুটি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৬৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

আরপিজিসিএলের এলএনজি বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, দুটি টার্মিনালের পূর্ণ সক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পেতে রোববার সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে শনিবার রাতেই সরবরাহ বেড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছাতে পারে।

গত ২১ এপ্রিল এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালের বয়লারে আগুন লাগার পর এলএনজি সরবরাহে বড় ধরনের বিপর্যয় শুরু হয়। প্রায় দুই সপ্তাহ পর টার্মিনালটি সচল হলেও পরবর্তী সময়ে এলএনজি সংকটের কারণে আবারও সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয়। একই সময়ে এলএনজি সংকটের কারণে সামিটের ভাসমান টার্মিনালও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোববার থেকে মহেশখালীর দুটি টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে পারলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসতে পারে। দুটি টার্মিনাল মিলিয়ে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ