রাজস্থলী উপজেলা পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার, জনসেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ২৮ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
রাঙামাটি প্রতিনিধি :
চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দিন রাজস্থলী উপজেলা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, উন্নয়ন প্রকল্প ও জনসেবামূলক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
শনিবার (২৮ জুন) সকালে রাজস্থলীতে পৌঁছালে বিভাগীয় কমিশনারকে রাজস্থলী থানা পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম ফুলেল শুভেচ্ছায় তাকে বরণ করে নেন।
পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, সরকারি দপ্তরের সেবার মান এবং চলমান কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও মানসম্মত সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হতে হবে।
পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। সভায় কর্মকর্তারা নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম, বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। বিভাগীয় কমিশনার মনোযোগ সহকারে বক্তব্য শোনেন এবং যৌক্তিক সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি-এর জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জোনায়েদ, রাজস্থলী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম, রাজস্থলী থানার ওসি (তদন্ত) জসিম উদ্দিন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
সফরের অংশ হিসেবে বিভাগীয় কমিশনার রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলমান টিকাদান কর্মসূচি পরিদর্শন করেন। সেখানে স্বাস্থ্যসেবার মান ও টিকাদান কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শনের শেষ পর্যায়ে তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি বৃক্ষরোপণ করেন। এ সময় পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে সবাইকে বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।
বিভাগীয় কমিশনারের এ সফরকে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনা এবং জনসেবার মানোন্নয়নে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
আপনার মতামত লিখুন :