পাবনায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, দেখা নেই সূর্যের!


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ০৭ জানুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

মোঃ ইমরান হোসেন, পাবনা :

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরের জেলা পাবনা। গত এক সপ্তাহ ধরে চলা এই পরিস্থিতিতে মেলেনি সূর্যের। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দেশে ও মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ডের কথা জানিয়েছে ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস।আবহাওয়ার তথ্যমতে, সকাল ৯টায় পাবনায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা আজ দেশের সর্বনম্নি তাপমাত্রা। এছাড়া গতকাল রবিবার তাপমাত্র রেকর্ড করা হয়েছিল ১০ ডিগ্রি, গত শনিবার ৯, শুক্রবার ৮ দশমিক ৮, বৃহস্পতিবার ৯ দশমিক ৬ ও বুধবার ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, আজকের তাপমাত্রা দেশের এবং এ মৌসুমে জেলার সবনিম্ন রেকর্ড হয়েছে। সকাল ৯টায় বাতাসে জলীয় বাষ্পের আদ্রতা ছিল ৯৬ ও দুপুর ১২টায় ৭৯ শতাংশ। দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে কিছুদিন পর তাপমাত্রা বাড়তে পারে।এদিকে গত এক সপ্তাহের শৈত্যপ্রবাহে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। গ্রাম বা শহরের পাড়া বা মহল্লার বিভিন্ন অলি গলিতে আগুন জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন অনেকে। সকাল এবং বিকেলের দিকে অত্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাইরে কম বের হচ্ছেন। এতে সড়কে চলাচলাকারী অটোরিকশসহ বিভিন্ন যান চালকদের আয় কমেছে। কাজ সংকটে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন শ্রমজীবীরা।

পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ সড়কে অটোরিকশা চালক নাসির বলেন, শীতে মানুষের বাঁচার প্রশ্ন চলে আসছে। এজন্য রাস্তায় মানুষই নেই। যাত্রীর আশায় বসে থাকতে হচ্ছে। সারাক্ষণ এদিক ওদিক ছুটতে হচ্ছে। তবুও যাত্রী নেই। ৫০০/৭০০ টাকা তো দূরে থাক ৩০০ টাকা কামাই করাই জুলুম হইছে। কিভাবে সংসার চলবে সেটাই এখন চিন্তার।

এব্যাপারে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর তীব্র শীত পড়লে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ে। এ মৌসুমেও বাড়ছে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এখনও তেমন বেশি বাড়েনি। আমরা চেষ্টা করছি সর্বোচ্চ চিকিৎসাটা দেওয়ার।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ