প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ০৭ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
নিউজ বাংলা ডেস্ক :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন। এসব প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশও দেন তিনি।
সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
উপ-প্রেসসচিব জানান, জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদসচিব ড. নাসিমুল গনির সমন্বয়ে তিন সদস্যের এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে তাৎক্ষণিক সমাধানযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
সভায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি করপোরেশনসহ মাঠপর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ সময় তারা জনবল সংকট, আধুনিক ল্যাবরেটরির অভাব, মাঠপর্যায়ে কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি এবং প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। পাশাপাশি মোবাইল কোর্টের ক্ষমতা বাড়ানোর দাবিও জানান তারা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমস্যা থাকবেই, তবে সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে। তিনি আরও বলেন, একসময় অনেক দেশ আমাদের চেয়েও পিছিয়ে ছিল, অথচ আজ তারা অনেক এগিয়ে গেছে। সবাই আন্তরিকভাবে একসঙ্গে কাজ করলে বাংলাদেশও অবশ্যই এগিয়ে যাবে।
জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী গুলশান লেকের ব্যবস্থাপনার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, দেশকে বদলাতে নাগরিকদেরও সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন।
সভায় জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদসচিব ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান, অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :