বান্দরবানের বাঘমারা বাজারের আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জেলা বিএনপি
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
চিংনুমং মারমা, রোয়াংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি :
বান্দরবান সদর উপজেলার বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বাংলাদেশের মানুষের প্রিয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর পক্ষ থেকে এবং নিজস্ব তহবিল থেকে এই মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়।
সোমবার (১৮ মে) সকালে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শনে যান বান্দরবান জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজা। তিনি পুড়ে যাওয়া ছাইস্তূপ ও ধ্বংসাবশেষ ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জাবেদ রেজা ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা দেন এবং বিএনপির পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পরিদর্শন শেষে জাবেদ রেজার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বাঘমারা বাজারের প্রায় ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, আলু ও তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। তাৎক্ষণিক এই সহায়তা পেয়ে পরিবারগুলোর মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে।
জাবেদ রেজা বলেন, আমাদের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে, দেশের যেখানেই দুর্যোগে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সেখানেই সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই আজকের এই উদ্যোগ।
তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে সুশৃঙ্খলভাবে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়। আজকের খাদ্য সহায়তা কেবল শুরু, ভবিষ্যতে পুনর্বাসনের জন্য আরও টেকসই উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দীন তুষার, আবিদুর রহমান, রিটল বিশ্বাস, মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা, চনুমং মারমা, সাহাদাত হোসেন জনি, আইয়ুব খানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার দিবাগত ভোররাতে বান্দরবান সদর উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে বাজারের ৪৯টি বসতঘর ও দোকানপাট সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সর্বস্ব হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
আপনার মতামত লিখুন :