শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নাচ, বাদ্যযন্ত্র ও কেরাত শেখানো হবে : প্রধানমন্ত্রী


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

নিউজ বাংলা ডেস্ক :

২০২৮ সাল থেকে স্কুল পর্যায়েই শিক্ষার্থীদের নাচ, গান, বাদ্যযন্ত্র বাজানো ও কেরাত শেখার সুযোগ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান প্রজন্ম পুরোপুরি মানবিক হতে না পারলেও আগামী প্রজন্মকে মানবিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের মানবিক গুণাবলি অর্জন করতে হবে। শুধু মানুষের প্রতি নয়, প্রকৃতির প্রতিও দয়াশীল হতে হবে। অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা মানবিক হয় এবং পশুপাখির প্রতি সদয় আচরণ করে। শিশুদের মধ্যে বোধশক্তি ও দায়িত্ববোধ তৈরি করাও জরুরি।

শিশুদের নিজ নিজ প্রতিভা বিকাশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে হবে। কারও গান গাইতে ভালো লাগলে গান গাইবে, কেউ বাঁশি বাজাতে পারলে বাঁশি বাজাবে। নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি গিটার বাজানো শুরু করলেও তা শেষ পর্যন্ত চালিয়ে যেতে পারেননি। তবে তিনি চান, শিশুরা যার যে বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে, সেই প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুরা সঠিকভাবে বিকশিত হলে দেশের ভিত্তি আরও মজবুত হবে। এর মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশ শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারবে। তাই শিশুদের সংস্কৃতিচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও উৎসাহিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রথমবারের মতো দেশে ২২ লাখ ছেলে-মেয়ে ফুটবল খেলায় অংশ নিয়েছে। এদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে ভালো খেলোয়াড় উঠে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শিশুদের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাড়ি, স্কুল কিংবা আশপাশের এলাকায় থাকা গাছের পরিচর্যা করতে হবে। একই সঙ্গে পশুপাখির প্রতিও সদয় হতে হবে। প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ