‘মিমি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলেন কৃতি শ্যানন


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ০৯ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

বিনোদন ডেস্ক :

বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন প্রথমবারের মতো নিজের ব্যক্তিগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে এনেছেন। জাতীয় পুরস্কারজয়ী সিনেমা ‘মিমি’-র শুটিং চলাকালেই ভবিষ্যতের কথা ভেবে তিনি ডিম্বাণু (এগ) সংরক্ষণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন। অভিনেত্রীর ভাষায়, এটি তার জীবনের অন্যতম সেরা সিদ্ধান্ত।

সম্প্রতি ‘হিউম্যানস অব বম্বে’ পডকাস্টে কৃতি বলেন, এতদিন বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি। তবে এখন মনে করছেন, ডিম্বাণু সংরক্ষণ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

কৃতি জানান, ‘মিমি’ সিনেমার জন্য তাকে ওজন বাড়াতে হচ্ছিল। একই সময়ে ডিম্বাণু সংরক্ষণের চিকিৎসার কারণে শরীরেও কিছুটা পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা ছিল। তাই দুই প্রক্রিয়াকে একসঙ্গে সম্পন্ন করাই সবচেয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত বলে মনে করেছিলেন।

অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি খুব পরিকল্পনা করেই ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলাম। “মিমি”-র শুটিংয়ের মাঝে প্রায় দুই মাসের বিরতি ছিল এবং তখন অন্য কোনো সিনেমার কাজও ছিল না। তাই অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসার জন্য সেটিই ছিল সবচেয়ে সুবিধাজনক সময়।’

তিনি আরও জানান, পরিচিত একজনের পরামর্শেই ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত হন। তবে পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়াটি সহজ ছিল না। হরমোন ইনজেকশনের কারণে শারীরিক ও মানসিক নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে।

কৃতির ভাষায়, ‘মনে হচ্ছিল যেন গর্ভাবস্থার মতো একটি অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। মেজাজের ওঠানামা হচ্ছিল, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। কিন্তু এখন মনে হয়, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সঠিক ছিল। অন্তত ভবিষ্যৎ নিয়ে এই বিষয়ে আলাদা করে উদ্বিগ্ন হতে হয় না।’

অভিনেত্রী জানান, ডিম্বাণু সংরক্ষণের সময় তার বয়স ছিল প্রায় ২৯ বছর।

ভারতে ডিম্বাণু সংরক্ষণের প্রাথমিক ব্যয় সাধারণত দেড় থেকে দুই লাখ রুপির মধ্যে হয়ে থাকে। এতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ, হরমোন থেরাপি এবং ডিম্বাণু সংগ্রহের খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে। পাশাপাশি সংরক্ষিত ডিম্বাণু ফার্টিলিটি সেন্টারে রাখার জন্য প্রতিবছর আলাদা ফি দিতে হয়।

চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সের মধ্যে ডিম্বাণু সংরক্ষণ করলে ভবিষ্যতে সফল গর্ভধারণের সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি থাকে। তবে এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও চিকিৎসাবিষয়ক সিদ্ধান্ত হওয়ায় এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ