বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে টেকসই উৎপাদনের বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ০৯ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

নিউজ বাংলা ডেস্ক :

বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে টেকসই ও উদ্ভাবনী উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ভোক্তাদের চাহিদা ও সচেতনতা বদলে যাওয়ায় এখন শুধু পণ্যের গুণগত মান নয়, উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশগত প্রভাবও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার গুরুত্ব নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) প্রতিবছর ৯ জুন এ দিবসটি পালন করে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা ও টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত এবং এগুলো অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি। এই বাস্তবতায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের (বিএবি) উদ্যোগে বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উদযাপন সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন কোনো সাধারণ সনদ নয়; এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা। নির্দিষ্ট মানদণ্ডের মাধ্যমে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে এই ব্যবস্থা দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার শক্ত ভিত তৈরি করছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, এ পর্যন্ত বিএবি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক মিলিয়ে ১৬৮টি প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ দিয়েছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস দেশের মান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে নতুন গতি দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ