মধ্যপ্রাচ্যে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদুল আজহা উদযাপন


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ২৮ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বুধবার (২৭ মে) ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের নামাজ, পশু কোরবানি এবং হজের আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই ধর্মীয় উৎসব পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ‘উকুফে আরাফা’ সম্পন্ন হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। গত মঙ্গলবার (২৬ মে) জিলহজ মাসের নবম দিনে প্রায় ১৬ লাখ হাজি সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দান-এ সমবেত হন। সকাল থেকে ইহরাম পরিহিত হাজিদের ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রান্তর।

ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, আরাফাতে অবস্থান করা হজের প্রধান রুকন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত হাজিরা সেখানে নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, তওবা-ইস্তিগফার ও দোয়ায় মগ্ন থাকেন।

দুপুরে ঐতিহাসিক মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা দেন মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি। খুতবা বাংলাসহ ৩৫টি ভাষায় অনুবাদ করে সম্প্রচার করা হয়। এতে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ইসলামী মূল্যবোধ ও বিশ্বশান্তি রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

খুতবা শেষে হাজিরা জোহর ও আসরের নামাজ একসঙ্গে আদায় করে সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তারা খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করেন এবং মিনায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের জন্য কঙ্কর সংগ্রহ করেন।

আজ ১০ জিলহজ সকালে মিনায় জামারায় বড় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের মাধ্যমে ঈদুল আজহার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা এবং কাবা শরিফ তাওয়াফের মাধ্যমে হজের পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন হাজিরা।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ঈদকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রবাসী বাংলাদেশি, পাকিস্তানি ও ভারতীয় মুসলমানরা পরিবার নিয়ে কোরবানির প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

হজ ব্যবস্থাপনা নির্বিঘ্ন রাখতে সৌদি সরকার ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। তীব্র গরম থেকে হাজিদের রক্ষায় ছায়ার ব্যবস্থা, পানির ফোয়ারা এবং প্রায় ২৪ হাজার বিশেষ বাস চালু রাখা হয়েছে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ