ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় ব্যাবসায়ীর উপর সন্ত্রাসীদের হামলা


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ০২ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

মো: বায়োজিদ হোসেন , বরিশাল ব্যুরো চীফ :

ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার ৬নং আওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড ভিটকি গ্রামের মৃত মোঃ আলী আকবরের ছেলে ব্যাবসায়ী ইব্রাহিম বকস (৫১) এর উপর কতিপয় সন্ত্রাসীদের হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার পরিপেক্ষিতে ব্যবসায়ী ইব্রাহিম বকস বাদী হয়ে কাঠালিয়া থানায় ৩০ সেপ্টেম্বর একটি এজহার দায়ের করেন বলে জানাগেছে। 

এজহারে বিবাদীরা হলেন- পূর্ব ভিটকি গ্রামের খোকন চৌকিদারের ছেলে লিয়ন চৌকিদার, উত্তর চড়াইল গ্রামের আঃ খালেক মীরের ছেলে মোঃ তায়েব মীর (২৭), জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে মোঃ সুজন হাওলাদার (২৭) পূর্ব ছিটকি গ্রামের মৃত হারুন হাওলাদারের ২পুত্র সজিব হাওলাদার (২৮) ও সাইদুর হাওলাদার (৩১), উত্তর চড়াইল গ্রামের আলম মীরের পুত্র মোঃ নাঈম মীর, সহিদ চাপরাশীর ছেলে রাকিব চাপরাশী (২১) রাজাপুর থানাধীন শাহজাহানের পুত্র মোঃ সাকিব হোসেন সহ অজ্ঞাত নামা ৩/৪ জন। 

এজাহারের হামলার শিকার ইব্রাহিম বকস উল্লেখ করেন স্থানীয় আকনের হাটে তার মুদি দোকান আছে। বিবাদীরা গত ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল  ১০টার দিকে তার (ইব্রাহীমের)  দোকানের সামনে এসে তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা চায়। 

ইব্রাহীম বলেন, আমি বিবাদীদের চাহিদা মতো চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে বিবাদীরা আমাকে নানা ভাবে হুমকি দেয় এবং আরো বলে আজতো টাকা দিতে পারলিনা তবে টাকা দোকানে জমা করিয়া রাখিস যে কোন সময় আমরা আসিয়া টাকা চাওয়া মাত্র না দিলে তোর ব্যবসা বন্ধ করিয়া দিব বলে হুমকি দিয়ে যায়। বিষয়টি আমি স্থানীয় গন্যমান্য লোকদের জানিয়ে নালিশ করলে বিবাদীরা আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টার দিকে বিবাদী সন্ত্রাসীরা একত্রিত হয়ে পুনরায় আমার দোকানের সামনে এসে পূর্বের ন্যায় ৫০ হাজার টাকা চায়। আমি কেন চাঁদা দিবনা বলে প্রতিবাদ করায় সকল বিবাদীরা দোকানের মধ্যে বেআইনী  ভাবে অনধিকার প্রবেশ করে চাঁদার টাকার জন্য বিবাদী লিয়ন চৌকিদার তার সাথে থাকা ধারালো চাইনিচ কুড়াল দিয়ে খুনের উদ্দেশ্যে আমার পিছন দিক থেকে একাধিক কোপ দেয়। চাইনিচ কুড়ালের কোপ আমার পিঠের বাম পাশের একাধিক স্থানে লেগে গুরুতর জখম হই । তখন আমি দোকানের মধ্যে পড়ে গেলে ২য় ও ৩য় বিবাদী দোকানের ক্যাস বাক্সে থেকে মালামাল ক্রয়ের জন্য রক্ষিত নগদ ২লক্ষ ২৬হাজার টাকা নিয়ে যায়। এসময় অন্যান্ন বিবাদী সহ অজ্ঞাত নামা বিবাদীরা দোকানের বিভিন্ন মালামাল ছড়াইয়া ছিটাইয়া ফেলে দিয়ে অনুমান ৫/৭ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। তখন আমি ডাক চিৎকার দিলে আশে পাশের লোকজন আমাকে উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে আসে এবং সকল বিবাদীরা জীবন নাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। তাৎক্ষনিক ভাবে কিছু সাক্ষীরা আমাকে চিকিৎসার জন্য ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক আমার অবস্থা গুরুতর মনে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। এরপর আমাদের নিকট আত্মীয় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে আমাকে ভর্তি করেন। হামলার শিকার ইব্রাহীম বকস প্রশাসনের কাছে হামলাকারীদের দ্রুত আটক করে শাস্তির আওতায় আনার দাবী জানান।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ