রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্বনেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ড. মুহাম্মদ ইউনূস


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

ডেস্ক নিউজ :

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গা সংকটকে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তাদের প্রত্যাবাসনে বিশ্বনেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন । তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ছাড়া কোনো টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

২২ এপ্রিল মঙ্গলবার কাতারের দোহায় ‘আর্থনা শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এসব কথা বলেছেন।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে এক ঐতিহাসিক, তরুণ-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থান দেখা যায়। বৈষম্যের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ থেকে শুরু হয়ে এটি পরিণত হয় সুবিচার, সুশাসন ও জবাবদিহিতার জন্য এক দেশব্যাপী আন্দোলনে। এটি ছিল এক প্রজন্মের সম্মিলিত আহ্বান—মর্যাদা, স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনের জন্য।

অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, একটি সত্যিকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ তখনই গড়ে উঠতে পারে, যখন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।

পৃথিবী নানা সংকটে জর্জরিত উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি সমৃদ্ধ, সহনশীল, সবুজ ও টেকসই ভবিষ্যৎ রেখে যেতে হবে যেটি ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সংমিশ্রণে গঠিত হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য সর্বজনীন স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।

তিনি আরও বলেন, এই সম্মেলনের আয়োজক দেশ কাতার ইতোমধ্যেই টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল ভবিষ্যৎ গঠনে দূরদর্শিতা ও সংকল্প প্রদর্শন করেছে।

এসময় সম্মেলন ৬টি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা।

সেগুলো হলো :

আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণ, সামাজিক ব্যবসা প্রসার, তরুণদের নেতৃত্বে প্ল্যাটফর্ম সৃষ্টি, শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, উন্নত দেশগুলোর নৈতিক দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা এবং শূন্য-লাভ নির্ভর সামাজিক ব্যবসা ও শূন্য বর্জ্য নির্ভর জীবনধারার প্রচলন।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ