পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার ৩


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন:

মোঃ ইমরান  হোসেন, পাবনা সদর  প্রতিনিধি :

নির্মাণাধীন পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঠিকাদারের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং নিরাপত্তাকর্মীদের মারধরের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ১৯ মে দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পাবনা পৌর সদরের সাধুপাড়া ঝুটপট্টি এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মাসুদ রানা ওরফে কিলার মাসুদ (৩৫), একই এলাকার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে সজল আলী (৩২) এবং মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে ইসমাইল হোসেন ওরফে নকশাল ইসমাইল (৩৫)।

শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়-এ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) রেজিনূর রহমান।

তিনি জানান, হেমায়েতপুর এলাকায় প্রায় আড়াইশ কোটি টাকা ব্যয়ে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে, যা বর্তমানে শেষ পর্যায়ে। সম্প্রতি অভিযুক্তরা নির্মাণ সাইটে গিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ম্যানেজার রফিজ উদ্দিনের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ১৯ মে দুপুর ১টার দিকে তারা সহযোগীদের নিয়ে নির্মাণাধীন ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করে।

এ সময় বাধা দিলে নিরাপত্তাকর্মী হাবিবুর রহমান ও ইমরানকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে অফিসের ড্রয়ারে রাখা এক লাখ টাকা নিয়ে অফিসের দরজা, জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে তারা পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় আহত দুই নিরাপত্তাকর্মীকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাজিন কনস্ট্রাকশন-এর পাবনা অফিসের ম্যানেজার রকিবুর রহমান ২০ মে পাবনা সদর থানা-এ একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পরে পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহর নির্দেশে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) অভিযান শুরু করে। বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ