বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান কারাগারে
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
অনলাইন ডেস্ক :
ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্রে এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বহিষ্কৃত ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে হাসপাতাল থেকে সরাসরি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে কুমিল্লার ৩ নম্বর আমলী আদালতের বিচারক তৈয়ব উদ্দিন এই আদেশ দেন। এর আগে একই দিন সকালে জিসানকে শারীরিকভাবে সুস্থ ঘোষণা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দেয়।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ওই বিধবা নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, এই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে জিসান ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে জোরপূর্বক গর্ভপাত করাতে বাধ্য করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিলেও একপর্যায়ে জিসান যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত শুক্রবার রাতে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।
ওই রাতেই ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে জিসান মিয়াকে প্রধান আসামি করে মোট চারজনের বিরুদ্ধে দাউদকান্দি থানায় মামলা দায়ের করেন। উদ্ধারের পর থেকে পুলিশ পাহারায় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মঙ্গলবার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর জিসানকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আপনার মতামত লিখুন :