1
2
| প্রকাশের তারিখঃ ০৭ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ইং
চরিত্রে ঢুকতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে গালাগাল, দীপিকাকে নিয়ে বিস্ময়কর তথ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিনোদন ডেস্ক :
বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনকে পর্দায় সবসময়ই দেখা যায় মার্জিত, আত্মবিশ্বাসী ও সংযত ব্যক্তিত্বের এক প্রতিচ্ছবি হিসেবে। তবে ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রামলীলা’ ছবির শুটিং শুরুর আগে চরিত্রের প্রয়োজনে তাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী ও অভিনয় প্রশিক্ষক জয়তী ভাটিয়া। তিনি জানান, পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির অনুরোধে ‘রামলীলা’ ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয়ের আগে দীপিকাকে বিশেষভাবে প্রস্তুত করার দায়িত্ব তার ওপর ছিল।
জয়তীর ভাষ্য অনুযায়ী, লক্ষ্য ছিল দীপিকার স্বাভাবিক লাজুক ও সংযত ব্যক্তিত্বের গণ্ডি ভেঙে তাকে আরও মুক্ত ও নির্ভীক করে তোলা, যাতে ক্যামেরার সামনে চরিত্রের আবেগ পুরোপুরি ফুটিয়ে তুলতে পারেন। এ উদ্দেশ্যে সাত দিনের একটি বিশেষ ওয়ার্কশপের পরিকল্পনা করা হয়।
ওয়ার্কশপের একটি অনুশীলনে দীপিকাকে বানসালির অফিসের বারান্দায় দাঁড়িয়ে নিচে না তাকিয়ে জোরে জোরে গালাগাল দিতে বলা হয়। শুরুতে এটি ছিল সংকোচ কাটানোর একটি অভিনয় অনুশীলন। তবে জয়তী জানান, একবার শুরু করার পর দীপিকা আর থামেননি।
তার ভাষায়, “আমি যেখানে থামতে বলেছিলাম, সেখানেও সে থামেনি। এমন সব গালাগাল দিয়েছিল, যা আমি জীবনে কখনও শুনিনি। মনে হচ্ছিল, তার ভেতরে জমে থাকা সব ক্ষোভ একসঙ্গে বেরিয়ে আসছে।”
এই অভিজ্ঞতার পর জয়তী উপলব্ধি করেন, ‘ককটেল’ ছবির সাফল্যের পর দীপিকা অভিনয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও নির্ভীক হয়ে উঠেছেন। তাই সাত দিনের পরিকল্পিত ওয়ার্কশপ মাত্র চার দিনেই শেষ করে শুটিং শুরু করার পরামর্শ দেন তিনি।
তবে এই ঘটনার পেছনে ছিল আরও একটি আবেগঘন বাস্তবতা। জয়তী ভাটিয়া জানান, ওই সময় দীপিকা ব্যক্তিগত জীবনে তীব্র মানসিক অবসাদ বা ডিপ্রেশনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু নিজের সেই সংগ্রামের কোনো প্রভাব তিনি শুটিং সেটে পড়তে দেননি। বরং পুরো সময়জুড়েই শতভাগ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে গেছেন, যা আজও তার কাছে অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে আছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: -
যোগাযোগ: অফিস : বসুন্ধরা, ঢাকা-১২২৯
মোবাইল: +880 9639191660
ইমেইল: newsbanglanews77@gmail.com
© ২০২৫-২০২৬ নিউজ বাংলা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত